বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ১২:০৩ অপরাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
🏘 অফিস এর ঠিকানা: অল আইটি বিডি, জিএস ভবন (১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা),আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠের পশ্চিমে, শেরপুর রোড, সাতমাথা, বগুড়া।
গোদাগাড়ী পৌরসভার রাস্তাগুলোর বেহাল দশা নাগরিক দুর্ভোগ চরমে
/ ৫৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০১৫, ৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদদাতা, গোদাগাড়ী, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার রাস্তাগুলোর দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে ডুবে যাওয়ায় ফলে নাগরিক দুর্ভোগ চরমে পৌচেছে। গোদাগাড়ী পৌরসভা প্রথম শ্রেণির মর্যাদা সম্পূর্ণ তালিকায় থাকলেও এর নাগরিক সেবা থেকে শুরু করে যাবতীয় কারবার দেখে মনে হবে না এটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। গোদাগাড়ীর পৌর সভার বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে দেখা যায় বেশীর ভাগ রাস্তাই ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে আর সামান্য বৃষ্টি হলেই সেই সব গর্তে পানি জমে গিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘœ হচ্ছে। আবার কোনো কোন জায়গায় পাকা রাস্তার পাথর,ইট, বালু পুরোটাই উঠে গিয়ে কাদা নর্দমার রাস্তায় পরিণত হয়েছে। পৌর এলাকার এমনকিছু রাস্তা আছে যে ড্রেন ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার উপর হাটুজলের জলাবন্ধতা হয়ে থাকে। ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের বর্ষা মৌসুমে স্কুল কলেজে যেতে অনিহা প্রকাশ করে গোদাগাড়ী সদর থেকে পশু হাসপাতাল রোড কাদানর্দমা ও খনাখান্দে পরিণত হয়েছে। এই রাস্তায় রিক্সা চলকও যেতে চায় না। এমনি ভাবে পৌর এলাকার কুঠিপাড়া, বুজরুক পাড়া, সুলতানগঞ্জ, জাহানাবাদ,সারাংপুরসহ আরিজপুর গ্রামের সাধারণ মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটিও বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এই রাস্তাদিয়ে ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলম আলিও নিজের ছেলে মেয়েদের মোটর সাইকেলে চড়ে চলাচল করলেও সংস্কারের ব্যাপারে কোনো ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন না। অত্র গ্রামের লোকজন তাঁকে একাধিক বার জানালেও কোনো কর্ণপাত করেন নি। অথচ এই রাস্তদিয়েই গোদাগাড়ী পৌর এলাকার প্রধান ঈদের জামায়াত বুজরুক রাজামাপুর চাইপাড়া ঈদগাহ যাওয়ার একমাত্র পথ এবং এই রাস্তা দিয়েই ভিআইপি লোকের সমাগত ঘরে ঈদগাহে। গোদাগাড়ী পৌর নাগরিকদের সাথে কথা হলে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, পৌর সভার এমন বেহাল দশা হবে তা কল্পনাও করতে পারিনি। গোদাগাড়ী পৌর মেয়র আমিনুল ইসলাম এসব জেনেও রাস্তাগুলোর সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেন না কেন তা প্রশ্ন রাখে মেয়রের কাছে। পৌর নাগরিকা বর্তমান মেয়রের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করে বলেন, মেয়র আমিনুল ইসলাম নির্বাচিত হবার পর নাগরিকদের উপর করের বোঝা চাপালেও নাগরিক সেবা বাড়াতে পারেনি। রাতের বেলা বেশীর ভাগ রাস্তা অন্ধকারে থাকে সেগুলোতে লাইট জ্বলে না। আবার অনেক দিন পর ঠিক করলেও দুই দিন না জ্বলতেই কেটে যায়। রাস্তা খনেখন্দে ভরা ও পৌর নাগরিক রাতে অন্ধকারে থাকাও নান সমস্যায় জর্জরিত দ্রুত এর ব্যবস্থা না নিলে পৌর নাগরিকদের দুর্ভোগ আরও চরমে পৌছবে। এ বিষয়ে পৌর মেয়র মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে রাস্তাগুলো সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অর্থ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে এবং কিছু কিছু জায়গায় সংস্কারের কাজ চলছে বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
Our Like Page